Tourist Places in Narayngonj
অতি প্রাচীন ইতিহাস সমৃদ্ধ ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা নারায়ণগঞ্জ। বাংলাদেশের অতীত ঐতিহ্য মসলিন কাপড়ের সুনাম নিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত এই নারায়ণগঞ্জ জেলা সোনালী আঁশ পাটের জন্যেও বিখ্যাত। নারায়ণগঞ্জ জেলার দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো; সোনারগাঁ, লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর, পানাম নগর, জিন্দা পার্ক, মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ি, বালিয়াপাড়া জমিদার বাড়ী, গোয়ালদী মসজিদ ইত্যাদি।

পানাম নগর
কুমিল্লা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে ময়নামতি জাদুঘর (Mainamati Museum) অবস্থিত,যা প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংগ্রহশালা হিসাবে বাংলাদেশের একটি গুরত্বপূর্ণ স্থান।কুমিল্লার বিভিন্ন স্থান থেকে সপ্তম ও অষ্টম শতাব্দীর নানা নিদর্শন ময়নামতি জাদুঘরের ৪২ টি ভিন্ন ভিন্ন সংরক্ষণাগারে সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।

জিন্দা পার্ক
নারায়ণগঞ্জ জেলার দাউদপুর ইউনিয়নে প্রায় ১৫০ একর এলাকা জুড়ে জিন্দা পার্ক (Zinda Park) অবস্থিত। জিন্দা পার্কে ২৫০ প্রজাতির দশ হাজারের বেশী গাছ, ৫ টি জলাধার ও অসংখ্য পাখি রয়েছে। জিন্দা পার্কের বিভিন্ন স্থাপনার নির্মাণশৈলী আপনাকে মুগ্ধ করবে। এই পার্কটির বিশেষত্ব হল এটি এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন
আবহমান গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও লোকশিল্পকে ধরে রাখার উদ্দেশ্য ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁওয়ের পানাম নগরীর একটি পুরোনো বাড়িতে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (Bangladesh Folk Art and Craft Foundation) প্রতিষ্ঠা করেন। পানাম নগরীর প্রায় ১৬ হেক্টর জায়গা জুড়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন বিস্তৃত।

বাংলার তাজমহল
পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম ভারতের আগ্রার তাজমহলের মত করে বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পেরাব গ্রামে নির্মাণ করা হয়েছে বাংলার তাজমহল বা দ্বিতীয় তাজমহল। নারায়ণগঞ্জের শিল্পপতি চলচ্চিত্রকার আহসান উল্লাহ মনি এই তাজমহল তৈরী করেন।

মায়াদ্বীপ
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার বারদী ইউনিয়নে অবস্থিত মেঘনা নদীর বুকে জেগে উঠা ত্রিভুজ আকৃতির চরের নাম মায়াদ্বীপ (Maya Dwip)। সবুজে ঘেরা মায়াদ্বীপ আপনার মনকে এক অপার্থিব প্রশান্তিতে ভরিয়ে দেবে।

ফুলের গ্রাম সাবদি
নারায়ণগঞ্জ জেলার সাবদি (Sabdi) একটি আকর্ষণীয় ভ্রমণ স্থান। শীতকালে সাবদি গ্রামের ফসলের ক্ষেতগুলো হলুদ সরিষা ফুলে ভরে উঠে। এছাড়া ফেব্রুয়ারি মাসে এখানে গোলাপ, গাঁদা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, জারবেরা, কসমস, ডেইজি জিপসি, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ফুলের চাষ করা হয়।
.png)
