Tourist Places in Gazipur
ইতিহাস ও ঐতিহ্যের বর্ণিল যোগাযোগের গাজীপুর জেলা প্রত্নসম্পদ ও দর্শনীয় স্থানে ভরপুর। রাজধানী ঢাকা জেলার সাথে লাগোয়া গাজীপুর জেলার দর্শনীয় স্থান ও প্রত্নসম্পদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোঃ ভাওয়াল রাজবাড়ী, বলধার জমিদার বাড়ী, প্রাচীন রাজধানী ইন্দ্রাকপুর, বলিয়াদী জমিদার বাড়ী, কাশিমপুর জমিদার বাড়ী, সেন্ট নিকোলাস চার্চ, ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান, নুহাস পল্লী, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক, মন পুড়া পার্ক, বড় ভূঁইয়া বাড়ী ইত্যাদি।

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক (Bangabandhu Safari Park) গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নে অবস্থিত। প্রায় ৩,৬৯০ একর জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠা বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক ছোট ছোট টিলা ও শালবন সমৃদ্ধ। থাইল্যান্ডের সাফারী ওয়ার্ল্ডের অনুকরণে তৈরি সাফারী পার্কটি ২০১৩ সালে চালু করা হয়। এই সাফারি পার্কের অন্যতম আকর্ষণ কোর সাফারি।

নুহাশ পল্লী
নুহাশ পল্লী (Nuhash Polli) নন্দন কাননটি গাজীপুর জেলা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে পিরুজালী গ্রামে অবস্থিত। নুহাশ পল্লীর বর্তমান আয়তন প্রায় ৪০ বিঘা। ১৯৮৭ সালে ২২ বিঘা জমিতে হুমায়ূন আহমেদ তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন শুরু করেন। হুমায়ূন পুত্র নুহাশের নামানুসারে নুহাশ পল্লী নামকরণ করা হয়।

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
রাজধানী ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের জয়দেবপুরের ছায়া সুনিবিড় পরিবেশে গড়ে উঠেছে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান (Bhawal National Park)। গজারি বৃক্ষের আধিক্যের কারণে অনেকের কাছে এটি ভাওয়ালের গজারির গড় হিসাবেও পরিচিত। প্রায় ৫০২২ হেক্টর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ১৯৮২ সালে জাতীয় উদ্যানের স্বীকৃতি লাভ করে।

ভাওয়াল রাজবাড়ী
গাজীপুর জে লার জয়দেবপুরে প্রায় ৫ একর জায়গার উপর কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক ভাওয়াল রাজবাড়ী (Bhawal Rajbari)। ১৯৭৮ সালে এই রাজবাড়িটিকে জেলা পরিষদ ভবন হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হলেও বর্তমানে ভাওয়াল রাজবাড়ি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বলিয়াদী জমিদার বাড়ী
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বলিয়াদী ইউনিয়নে ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন বলিয়াদী জমিদার বাড়ী (Baliadi Jamider Bari) অবস্থিত।

সেইন্ট নিকোলাস চার্চ
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র স্থান সেইন্ট নিকোলাস চার্চ (St. Nicolas church) অবস্থিত। ১৯৬৩ সালে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নির্মিত এই ঐতিহাসিক চার্চ বাংলাদেশের বৃহত্তম খ্রিষ্টান মিশনারীয় চার্চের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত।
.png)
