
সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজের তথ্য
আকাশে শুভ্র মেঘের উড়াউড়ি দেখতে সবারই ভালো লাগে, আর অনেক সময়তো আমাদের ইচ্ছে করে মেঘকে ছুঁয়ে দেখতে। রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত সাজেক ভ্যালি তেমনি এক স্বপ্নময় স্থান। চারপাশে সাদা মেঘের ভেলা মনের ক্লান্তিকে যেন ভাসিয়ে নিয়ে যায়। সবুজে ঢাকা পাহাড়, সাদা মেঘ আর আলোআঁধারির খেলায় সবসময় মেতে থাকে এই সাজেক ভ্যালি। সকাল, দুপুর কিংবা রাত, সময়ে সময়ে নিজেকে ভিন্নরূপে সাজিয়ে সাজেক ভ্রমণকারীদের আকর্ষণ করে।
সাজেকের রিসোর্ট ও কটেজ
রিসোর্ট রুংরাং (Resort RungRang) : সাজেকের বেস্ট রিসোর্ট গুলোর একটি রিসোর্ট রুংরাং। রিসোর্টে বসেই দিগন্তজোড়া সারি সারি পাহাড় এবং মেঘের উড়োউড়ি দেখার জন্য আদর্শ। নান্দ্যনিক ইন্টেরিওর ডিজাইনে সাজানো এই রিসোর্টে আছে ৪টি ডাবল এবং ৪টি কাপল রুম। ছুটির দিনে ডাবল বেড রুম ভাড়া ৩৫০০ টাকা এবং কাপল ২৮০০ টাকা। অন্য সকল দিনে ডাবল বেড রুম ভাড়া ২৮০০ এবং কাপল ২০০০ টাকা। বুকিং এর জন্যে যোগাযোগ নাম্বার: 01884-710 723, 01869-649 817, ফেসবুক পেইজ ।
সাজেক রিসোর্ট (Sajek Resort) : বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত রিসোর্ট সাজেক রিসোর্ট। এই আর নন এসি রুম গুলোর ভাড়া ১০,০০০ – ১৫,০০০ টাকা। আছে খাবারে ব্যবস্থা। সেনাবাহিনিতে কর্মরত বা প্রথম শ্রেনীর সরকারি কর্মকর্তাদের জন্যে ডিসকাউন্ট রয়েছে। যোগাযোগ করতে পারেন এই নাম্বারেঃ 01859-025694 / 01847-070395 / 01769-302370, ফেসবুক পেইজ ।
রুন্ময় রিসোর্ট (Runmoy Resort) : বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত রিসোর্ট রুন্ময় রিসোর্ট। মোট ৫ টি রুম আছে। প্রতিটি কক্ষে ২ জন থাকতে পারবেন। নিচ তলার রুম ভাড়া ৪৪৫০ টাকা। প্রতিটি কক্ষে ২ জন থাকতে পারবেন। ৬০০ টাকা দিয়ে অতিরিক্ত বেড নিতে পারবেন। উপরের তলায় দুইটি কক্ষ আছে ভাড়া ৪৯৫০ টাকা। প্রতিটি কক্ষে দুই জন থাকতে পারবেন। এটাতেও ৬০০ টাকা দিয়ে অতিরিক্ত বেড নিতে পারবেন। যোগাযোগ: 0186547688, ফেসবুক পেইজ ।
মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট (Meghpunji Resort) : সাজেকের সবচেয়ে আকর্ষনীয় ও জনপ্রিয় রিসোর্টের নাম মেঘপুঞ্জি রিসোর্ট। সুন্দর ইকোফ্রেন্ডলি ডেকোরেশনের ও আকর্ষণীয় ল্যান্ডস্কেপিক ভিউ সহ মেঘপুঞ্জি রিসোর্টে তারাশা, পূর্বাশা, রোদেলা মেঘলা নামের ৪টি কটেজ আছে। প্রতিটিতে সর্বোচ্চ ৪ জন থাকা যায়। মেঘপুঞ্জির ৩টি কটেজের ভাড়া ৪০০০ টাকা, আর অন্য একটি কটেজের ভাড়া ৪৫০০ টাকা। অধিক জনপ্রিয়তার জন্য মেঘপুঞ্জিতে রুম পেতে হলে ভ্রমণের অন্তত মাসখানেক আগেই বুকিং দিতে হবে। মেঘপুঞ্জি রিসোর্টের কটেজ বুকিং দেওয়ার জন্যে যোগাযোগ নাম্বার: 01815-761065, 01814-275755, ফেসবুক পেইজ।
মেঘ মাচাং (Megh Machang) : সুন্দর ভিউয়ের জন্যে মেঘ মাচাং রিসোর্ট অনেকের পছন্দ। মেঘ মাচাং রিসোর্টে উডেন ও ব্যাম্বো এই দুই ধরনের সর্বমোট পাঁচটি কটেজ রয়েছে। ছুটির দিন ব্যতিত ব্যাম্বু কটেজের ভাড়া ৩৫০০ টাকা এবং উডেন কটেজের ভাড়া ৪০০০ টাকা। আর ছুটির দিনে ব্যাম্বো কটেজের ভাড়া ৪০০০ এবং উডেন কটেজ ৪৫০০ টাকা। প্রতিটি কটেজের সাথে মেঘ উপভোগের জন্য আছে মিজোরাম মুখী খোলা বারান্দা। মেঘ মাচাং রিসোর্টে খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। যোগাযোগঃ 01822-168877, ফেসবুক পেইজ ।
লুসাই কটেজ (TGB Lushai Cottage) : বাংলাদেশে সেনাবাহিনী কতৃক পরিচালিত সাজেক রিসোর্টের বিপরীত পাশে এই রিসোর্টের অবস্থান। সুন্দর ডেকোরেশন ও ভালো ল্যান্ডস্কেপিক ভিউয়ের টিজিবি লুসাই কটেজে কাপল, ফ্যামিলি কিংবা গ্রুপের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরির কক্ষ রয়েছে। এসব রুমের ভাড়া ২৫০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকা পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া এই ভাড়ার উপর ৫০০ টাকা ছাড় থাকে। যোগাযোগঃ 01634-198005, ফেসবুক পেইজ ।
জুমঘর ইকো রিসোর্ট (Jumghor Eco Resort) : রুইলুই পাড়া ক্লাব হাউজের পেছনে অবস্থিত জুমঘর ইকো রিসোর্ট। থাকার জন্যে এই রিসোর্টে পৃথক কটেজে মোট ৬টি কাপল রুম রয়েছে। প্রতিটি রুমে সর্বোচ্চ ৪ থাকার ব্যবস্থা আছে। জুমঘর ইকো রিসোর্টের কটেজ ভাড়া ৪০০০ টাকা এবং সারা বছর ভাড়ার পরিমাণ একই থাকে। মেঘ দেখার জন্যে প্রতিটি কটেজেই আছে বিশাল বারান্দা, দোলনা, সুন্দর বাগান এবং বসার ব্যবস্থা। ছুটির দিনে এই রিসোর্টে থাকতে চাইলে অগ্রিম কটেজ বুকিং দিয়ে যাওয়া ভাল। যোগাযোগঃ 01884-208060, ফেসবুক পেইজ ।
ম্যাডভেঞ্চার রিসোর্ট (Madventure Resort) : নান্দ্যনিক উপস্থাপনায় সাজানো তিনটি মেঘ ভিউ পয়েন্ট নিয়ে ম্যাডভেঞ্চার সবসময় ভ্রমণকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। সাজেকে ভ্যালির প্রবেশ দ্বার স্টোন গার্ডেনের ঠিক বিপরীত পাশে ম্যাডভেঞ্চার রিসোর্টের অবস্থান। সাজেকের সকল রিসোর্টগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক ১১ টি কক্ষ রয়েছে ম্যাডভেঞ্চার রিসোর্টে। এছাড়াও রিসোর্টের প্রতি তলায় আছে প্রশস্ত বারান্দা। ম্যাডভেঞ্চার রিসোর্টে কাপল কিংবা ডাবল বেডের প্রতি রুমের ভাড়া ৩৫০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01885-424242 ।
সাম্পারি রিসোর্ট (Sampari Resort) : খোলামেলা পরিবেশ এবং চমৎকার ভিউ পয়েন্ট নিয়ে সাম্পারি রিসোর্ট তরুণ-তরুণীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সাম্পারি রিসোর্টে হানিমুন, কাপল, ফ্যামিলি বা গ্রুপ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের কক্ষ আছে। রিসোর্টের রুম ভাড়া কাপল কটেজ ৩৫০০ টাকা, কাপল রুম ২৫০০ টাকা, ২ বেডের রুম ৩৫০০ টাকা, ৩ বেডের রুম ৪০০০ টাকা। আর অতিরিক্ত বেডিংয়ের চার্জ ৫০০ টাকা। ওয়ার্কিং ডে অর্থাৎ ছুটির দিন ছাড়া প্রতিটি রুম ভাড়ায় ৫০০ টাকা ডিস্কাউন্ট দেয়া হয়। যোগাযোগঃ 01835-538083, ফেসবুক পেইজ।
আদ্রিকা ইকো কটেজ (Adrika Echo Cottage) : যারা খোলামেলা পরিবেশে নিজেদের মতো থাকতে চান তাদের জন্য আদ্রিকা ইকো রিসোর্ট আদর্শ জায়গা। টিজিবি লুসাই কটেজের পেছনে এই রিসোর্টের অবস্থান। রিসোর্টের প্রশস্থ বারান্দা থেকে অপূর্ব প্রাকৃতিক ল্যান্ডস্কেপ দেখতে পাওয়া যায়। বারান্দায় আছে ইজি চেয়ার ও বসার ব্যবস্থা। এই রিসোর্টে কেবল মাত্র দুইটি বড় কক্ষ রয়েছে। প্রতি কক্ষে একটি মাস্টার বেড আর একটি ম্যাট্রেস/তোশক রয়েছে। যাতে সর্বোচ্চ ৪ জন থাকা যায়। শুক্রবার, শনিবার ও অন্যান্য ছুটির দিনে রুম ভাড়া ৪০০০ টাকা এবং অন্যান্য দিন রুম ভাড়া ৩৫০০ টাকা। এই রিসোর্টে থাকতে হলে অগ্রিম বুকিং দিয়ে যাওয়া ভাল। যোগাযোগঃ 01877-722859, ফেইসবুক পেইজ।
ট্রিনিটি রিসোর্ট (Trinity Resort) : সাজেকের প্রবেশ পথের ডানপাশে রুইলুই পাড়া শিব মন্দিরের কাছে ট্রিনিটি রিসোর্টের অবস্থান। এই রিসোর্টে চারটি ডাবল বেড এবং চারটি কাপল রুম সহ সর্বমোট ৮টি কক্ষ রয়েছে। ছুটির দিন ব্যাতিত অর্থাৎ সাধারণ দিনে ট্রিনিটি রিসোর্টের ডাবল বেড বা কাপল রুমের ভাড়া ৪০০০ টাকা। আর ছুটির দিনে ভাড়া ৪৫০০ টাকা। ট্রিনিটি রিসোর্টের দুইটি কাপল রুম ও দুইটি ডাবল বেডের রুম থেকে সাজেকের অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া রিসোর্টের সমস্ত অতিথিদের জন্য রয়েছে সুপ্রশস্ত কমন বারান্দা, দোলনা ও মেঘভিউ পয়েন্ট। যোগাযোগঃ 01869-232224, ফেইসবুক পেইজ।
ছায়ানীড় ইকো রিসোর্ট (Chayanir Eco Resort): রুইলুই পাড়া ক্লাব হাউসের কাছে মেঘপুঞ্জি রিসোর্টের ঠিক বিপরীত পাশে ছায়ানীড় ইকো রিসোর্টের অবস্থান। ত্রিকোণাকার নান্দ্যনিক ঢঙে তৈরি এই রিসোর্টটি সাজেকে আগত সবার নজর কাড়ে। স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিমিয়াম এমন দুই ধরনের ৩টি কক্ষ আছে ছায়ানীড় ইকো রিসোর্টে। প্রতি রাতের জন্য স্ট্যান্ডার্ড রুমের ভাড়া ৩০০০ টাকা এবং প্রিমিয়াম রুম ভাড়া ৩৫০০ টাকা। সারাবছর এই রিসোর্টের রুম ভাড়া প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। ছায়ানীড় ইকো রিসোর্ট থেকে চমৎকার সূর্যাস্থের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। যোগাযোগ: 01881-164864, ফেইসবুক পেইজ।
চাঁদের বাড়ি রিসোর্ট (Chander Bari Resort): মেঘের সমুদ্র দেখার জন্য রক গার্ডেনের বিপরীত পাশে অবস্থিত চাঁদের বাড়ি রিসোর্ট বেশ আদর্শ জায়গা। এই রিসোর্টে মোট ৮টি কক্ষ আছে। আর প্রতিটি কক্ষ থেকে মিজোরাম পাহাড়ময় সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখা যায়। এছাড়া প্রতিটি কক্ষে একটি দুইজন থাকার উপযোগী বিছানা এবং এক্সট্রা বেড রয়েছে। ছুটির দিনে প্রিমিয়াম কটেজের ভাড়া ৪০০০ টাকা, ছুটির দিন ছাড়া ৩৫০০ টাকা। আর ছুটির দিন ব্যতিত ইকোনমি কটেজের রুম ভাড়া ৩৫০০ টাকা এবং ছুটিরদিন বাদে ৩০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01862-643860, ফেইসবুক পেইজ।
লক্ষণ কটেজ সালকা (Laxman Cottage Salka): রুইলুই পাড়া শিব মন্দিরের কাছে লক্ষণ কটেজ সালকা রিসোর্টের অবস্থান। অনেকের কাছে এটি সালকা ইকো রিসোর্ট হিসাবে পরিচিত। সালকা রিসোর্টে মোট ৪টি কক্ষ রয়েছে। এক্সক্লুসিভ ফুল ভিউ রুমের ভাড়া ৪০০০ টাকা এবং সাধারণ ক্যাটাগরির রুমের ভাড়া ২৫০০ টাকা। লক্ষণ কটেজ সালকার এক্সক্লুসিভ ফুল ভিউ কক্ষের সাথে আছে খোলা বারান্দা। রুম কিংবা বারান্দায় বসে প্রকৃতির সান্নিধ্যে আড্ডা মুখর সময় কাটানোর সুযোগ রয়েছে। তথ্য ও বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ: 01847-356781, ফেইসবুক পেইজ।
রুলুই রিসোর্ট (Rului Resort): রুইলুই পাড়া ক্লাব হাউসে ঠিক পেছন দিকে রুইলুই রিসোর্টের অবস্থান। রুইলুই রিসোর্টের প্রতিটি কটেজের সাথে মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগের সুবিধার্থে সুন্দর বারান্দা নির্মাণ করা হয়েছে। রুইলুই রিসোর্টের প্রতিটি রুম ভাড়া ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা। ছুটির দিন ছাড়া গেলে রুম ভাড়ার উপর বিভিন্ন হারে ডিস্কাউন্ট সুবিধা পাওয়া যায়। যোগাযোগঃ 01632 030000, ফেসবুক পেইজ।
মেঘাদ্রি ইকো রিসোর্ট (Meghadree Eco Resort): পাহাড়, আকাশ, মেঘ সব কিছু মিলিইয়ে প্রকৃতির এক অনন্য রুপের দেখা পাওয়া মেঘাদ্রি ইকো রিসোর্টের বারান্দা থেকে। মেঘাদ্রি ইকো রিসোর্টে ৬টি কাপল রুম ও ২টি ডাবল বেডের কক্ষ আছে। তবে কেবল ডাবল বেডের কক্ষের সামনে সাজেকের অনন্য প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার ব্যালকনি আছে। ছুটির দিন ব্যতিত ডাবল কক্ষের ভাড়া ৩৫০০ টাকা এবং কাপল রুমের ভাড়া ৩০০০ টাকা। আর ছুটির দিনে এই রিসোর্টের রুমের ভাড়া পর্যটকদের চাহিদার উপর নির্ভর করে বৃদ্ধি পায়। যোগাযোগঃ 01883-697728, ফেইসবুক পেইজ।
সুমুই ইকো-কটেজ (Sumui Eco Resort): রুইলুই পাড়ায় অবস্থিত সুমুই ইকো-কটেজে দুইটি মিজোরাম ভিউয়ের কক্ষ আছে। কক্ষ থেকে সাজেকের অপরুম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এছাড়া প্রতিটি কক্ষে অতিরিক্ত বেডিংয়ের ব্যবস্থা আছে। বছর জুড়ে সুমুই ইকো কটেজের রুম ভাড়া প্রায় অপরিবর্তিত থাকে। এই রিসোর্টের বর্তমান রুম ভাড়া ৪০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01880-908448, ফেইসবুক পেইজ।
ঝিঁ ঝিঁ পোকার বাড়ি (Jhi Jhi Pokar Bari): ৪ রুমের এই কটেজে রুম প্রতি ভাড়া ২০০০-২৫০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01869-157666, ফেসবুক পেইজ। রক প্যারাডাইজ কটেজ (Rock Paradise) : আছে ৪, ৬, ৮ জন থাকার কটেজ। ভাড়া ২৫০০ থেকে ৫০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01842-380234, ফেসবুক পেইজ।
অবকাশ ইকো কটেজ (Abakash Eco Cottage): ৩তলা কটেজের গ্রাউন্ড ফ্লোরে রুম ভাড়া ২৫০০টাকা, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় ভাড়া ৩০০০টাকা। প্রতি রুমে ডাবল বেডে ৪জন থাকা যাবে। যোগাযোগঃ 01844-172492, ফেসবুক পেইজ।
মেঘালয় রিসোর্ট (Meghaloy Resort): মেঘালয় রিসোর্ট (Meghaloy Resort): ৬টি রুমের এই রিসোর্টে ডাবলবেডে ৪ জন থাকার রুম ভাড়া ২৫০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01611-080962, ফেসবুক পেইজ।
সারা নীলকুটির (Sara Neelkutir) : ৫রুমের এই রিসোর্টে প্রতি রুমে ডাবল বেডের ভাড়া ২৫০০-৩০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01873-249470, ফেসবুক পেইজ।
দার্জেলিং রিসোর্ট (Darjeelig Resort): ভাড়া ১৫০০-২০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01829-919786, ফেসবুক পেইজ। এভারেস্ট রিসোর্ট (Everest Resort) : ভাড়া ২৫০০-৩০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01644-698081, ফেসবুক পেইজ।
রয়েল সাজেক রিসোর্ট (Royel Sajek Resort): ডাবল বেডের রুম ভাড়া ২০০০-৩০০০টাকা। যোগাযোগঃ 01840477976, ফেসবুক পেইজ।
সাজেক হিল ভিউ রিসোর্ট (Sajek Hill View Resort ): ডাবল বেডের রুম ভাড়া ২০০০-২৫০০ টাকা, ফ্যামিলি সাইজ বেড রুম ভাড়া ১৮০০-২৫০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01878-745843, ফেসবুক পেইজ।
মৈত্রি রিসোর্ট (Maitree Hotel & Resort): ডাবল বেডে সহ রুম ভাড়া ২৫০০-৩০০০ টাকা। যোগাযোগঃ 01681-637836, ফেসবুক পেইজ। মেঘ বিলাস রিসোর্ট (Megh Bilash Resort) : যোগাযোগঃ 01869104000, ফেসবুক পেইজ।
জলবুক কটেজ (Jolbok Resort): ভাড়া ২০০০-২৫০০ টাকা । যোগাযোগঃ 01820-180750/ 01558-180750
আদিবাসী ঘর: এ ছাড়া আরও কম খরচে থাকতে চাইলে আদিবাসিদের ঘরেও থাকতে পারবেন। জনপ্রতি ২০০-৩০০ টাকায় থাকা যাবে। ফ্যামিলি বা কাপল থাকার জন্যে আদর্শ না হলেও বন্ধু বান্ধব মিলে একসাথে থাকা যাবে।
কম খরচে থাকতে চাইলে কোন সময় যাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে খরচ কমাতে পারবেন। যদি অফসিজনে যান তাহলে হোটেল বা রিসোর্ট ভাড়ায় অনেক ডিসকাউন্ট পাবেন। আবার সিজনে (নভেম্বর-মার্চ) গেলে যদি সাপ্তাহিক ছুটির দিন বা সরকারি কোন বন্ধের দিন ছাড়া যান তাহলেও হোটেল ও রিসোর্ট ভাড়া নিতে তুলনামূলক কম খরচ হবে। একসাথে কয়েকজন বন্ধু মিলে গেলে ডাবল/ট্রিপল বেডের রুম নিয়ে শেয়ার করে থেকেও খরচ অনেক কমাতে পারবেন।
দৃষ্টি আকর্ষণ: এখানে হোটেল বা রিসোর্ট সমূহের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে রেগুলার ভাড়ার পরিমাণ নেয়া হয়েছে এবং সময়ভেদে কতৃপক্ষের সিদ্ধান্তে ভাড়ার পরিমাণ কমবেশি হতে পারে। তাই আপনার পছন্দের হোটেল বা রিসোর্ট বুকিং করার আগে যোগাযোগ ও খোঁজ নিয়ে নিন।
সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয়, তাই আমাদের প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। এছাড়া আপনাদের সুবিধার জন্যে বিভিন্ন মাধ্যম থেকে হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ও নানা রকম যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়েছে। এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো।
.png)
