top of page
polwel-park-rangamati.jpg

পলওয়েল পার্ক এন্ড কটেজ(Polwel Park & Cottage)

পাহাড়, ঝর্ণা, হ্রদের সৌন্দর্য দিয়ে ঘেরা রাঙামাটি মানেই প্রকৃতির এক রূপসী কন্যা। পাহাড় এখানে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে আকাশের বুকে, নীলকান্তমণির মতো জল আর মেঘের ভেলার মিতালি মন ভোলায় প্রকৃতি প্রেমীর। অপরূপ রাঙামাটির রয়েছে প্রকৃতির সৌন্দর্য দিয়ে ঘেরা আকর্ষণীয় সব পর্যটন স্থান। এসব স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে পলওয়েল পার্ক (Polwel Park)। নৈসর্গিক প্রাকৃতিক পরিবেশে সময় কাটাতে এবং চিত্ত বিনোদনের জন্য প্রতিদিন অসংখ্য দর্শনার্থীর পদচারণায় মুখর হয়ে উঠে পলওয়েল পার্ক।

পলওয়েল পার্ক কোথায় অবস্থিত

পলওয়েল পার্ক বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত। কাপ্তাই লেকের কোলঘেঁষে ডিসি বাংলো রোডে পলওয়েল পার্কের অবস্থান। রাঙামাটি জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে এই পার্কটি নির্মাণ করা হয়েছে। এর চমৎকার নির্মাণশৈলী ও নান্দনিকতার জন্য এটি রাঙামাটির অন্যতম একটি বিনোদন কেন্দ্রের জায়গা করে নিয়েছে। বৈচিত্র্যময় ল্যান্ডস্কেপ, অভিনব নির্মাণশৈলী এবং নানা রকম বসার স্থান পার্কটিকে দিয়েছে ভিন্নরকম এক মাত্রা।  পার্কটির প্রবেশমূল্য, জনপ্রতি ৩০ টাকা। পাঁচ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের জন্য টিকেট লাগবেনা। পার্কটি রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকে। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে কিডস জোন। শিশুদের আনন্দ দিতে এই পার্কে বিভিন্ন রকম রাইডের ব্যবস্থা রয়েছে।

বিনোদনের নানান আয়োজন দিয়ে সাজানো পলওয়েল পার্ক

মুখোশের আদলে তৈরী প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকতেই পাশে দেখবেন আরেকটি মুখোশ আকৃতির টিকিট কাউন্টার। ভেতরে যেতেই দেখতে পাবেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি কর্তৃক পরিচালিত প্রদর্শনী ও বিক্রয় কেন্দ্র। এখান থেকে বিভিন্ন ধরণের স্যুভেনির, আদিবাসীদের হাতে বোনা কাপড় ইত্যাদি কিনে নিতে পারেন। এরপাশেই শিশুদের জন্য রয়েছে কিডস জোন। শিশুদের আনন্দ-বিনোদনের জন্য এখানে বিভিন্ন রাইডের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে অনেক সময় ধরে বাচ্চারা রাইডগুলো উপভোগ করতে পারবে। কিডস জোনের অপর প্রান্তে চোখে পড়বে ঢেঁকিঘর আদলের একটি ভাস্কর্য। গ্রামীণ আবহ তৈরির জন্য এই ভাস্কর্যটিতে এখানে দেয়া হয়েছে।

আছে নানা ধরনের ভাস্কর্য: গ্রামের নারীদের ঢেঁকিতে ধান ভানার এই ভাস্কর্যটি অত্যন্ত সুনিপুনভাবে তৈরি করা হয়েছে। কিডস জোন থেকে কিছুটা সামনে এগিয়ে গেলে রাস্তার পাশে বসার জন্য অনেকগুলো বেঞ্চ পাবেন। এখানে বসে কাপ্তাই লেকের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন। সামনে যতদূর দৃষ্টি যায় লেকের নীলাভ জল মিশেছে আকাশের দিগন্তরেখায়। পাহাড়গুলো যেন ঘুমিয়ে আছে আকাশের কোলে। মনোমুগ্ধকর এই প্রকৃতিতে কাটিয়ে দিতে পারবেন বিকেলটা। বেঞ্চগুলোর পেছনেই আছে কলসি কাঁখে নারীর ভাস্কর্য। তাদের কলস থেকে গড়িয়ে পড়া পানিতে তৈরি হয়েছে ঝর্ণা। দিনের আলো নিভে গেলে কৃত্তিম আলোয় এই ঝর্ণা আরও মোহময় হয়ে ওঠে।

পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া:এখান থেকে কিছুটা এগোলেই চটপটি আর ফুচকার দোকান। অনেকটা খোলা জায়গা জুড়ে চেয়ার টেবিল পেতে বসার ব্যবস্থা। ফুচকা আর চটপটি প্রেমীরা কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্য দেখে আর ফুচকা খেয়ে বিকেলটা এখানে কাটাতে পারেন। আরও একটু সামনে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামলেই পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া। মুখরোচক খাবারের সাথে আইসক্রিম আর কফিও পাওয়া যাবে এখানে।

ফিশিং পিয়ার:ক্যাফেটেরিয়া থেকে সামনে এগোলে ফিশিং পিয়ার। ফিশিং পিয়ার হচ্ছে এমন একটা স্তম্ভ বা প্ল্যাটফর্ম, যেটা উপকূল থেকে শুরু হয়ে লেক/নদী/সমুদ্রের যেখানে পানির গভীরতা অনেক বেশি, এমন দূরত্ব পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। আসলে জাহাজ, বড় নৌকা গুলো পানির গভীরতা কম থাকায় তীরে ভিড়তে পারেনা। তাই পানি গভীর থাকে সবসময়, উপকূল থেকে এমন দূরত্ব পর্যন্ত ফিশিং পিয়ার তৈরী করা হয়। যেন জাহাজ, নৌকা গুলো সহজেই সেখানে ভিড়তে পারে এবং নোঙ্গর ফেলে অবস্থান করতে পারে। এখানে দাঁড়ালে কাপ্তাই লেকের দৃশ্য বেশ ভালোভাবে উপভোগ করা যায়।

লাভ পয়েন্ট:এই পার্কটির একদম শেষপ্রান্তে তৈরি করা হয়েছে দেশের প্রথম 'লাভ পয়েন্ট'। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পরিকল্পনায় এই লাভ পয়েন্টটি নির্মাণ করা হয়েছে। এই লাভ পয়েন্টে লাভ লক আটকে তার চাবি লেকে ফেলে দেয়ার চমৎকার প্রথাও চালু করা হয়েছে। এছাড়াও এই পার্কে মিনি চিড়িয়াখানা,ভূতুড়ে পাহাড়ের গুহা, পাহাড়ি কৃত্রিম ঝর্ণা,ক্রোকোডাইল ব্রিজ, অ্যাকুরিয়াম আছে। এখানে সুইমিংপুল রয়েছে এবং লেকের জলে নৌকা নিয়ে ঘুরারও ব্যবস্থা রয়েছে। লেকে ঘোরার জন্য বোটের ব্যবস্থা আছে, আছে জেট স্কিইং এর ব্যবস্থা, আছে কায়াকিং এর ব্যবস্থা। লেকের পার ঘেঁষে রাখা আছে বিচ চেয়ার। লেক আর পাহাড়ে সন্ধ্যা নামার দৃশ্য উপভোগ করতে শেষ বিকেলে এখানে বসে গোধূলির মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।

পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া:এখান থেকে কিছুটা এগোলেই চটপটি আর ফুচকার দোকান। অনেকটা খোলা জায়গা জুড়ে চেয়ার টেবিল পেতে বসার ব্যবস্থা। ফুচকা আর চটপটি প্রেমীরা কাপ্তাই লেকের সৌন্দর্য দেখে আর ফুচকা খেয়ে বিকেলটা এখানে কাটাতে পারেন। আরও একটু সামনে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামলেই পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া। মুখরোচক খাবারের সাথে আইসক্রিম আর কফিও পাওয়া যাবে এখানে।

কি আছে পলওয়েল পার্কে

সুইমিংপুল (২০০ টাকা প্রতিজন) ,পলওয়েল কটেজ, জেট স্কিইং, প্যাডেল বোট, কায়াক, পার্কটির প্রবেশে ভুতুড়ে পাহাড়ের গুহা, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি শিল্প ,বিভিন্ন প্রকারের রাইড (মেরি গো রাউন্ড, হানি সুইং, মিনি ট্রেন, প্যাডেল বোট), কলসি ঝর্ণা, পাহাড়ী কৃত্রিম ঝর্ণা, ক্রোকোডাইল ব্রিজ, হিলভিউ পয়েন্ট ,লেকভিউ পয়েন্ট ,লাভ লক পয়েন্ট ,ফিশিং পিয়ার, মজাদার ও মুখরোচক খাবারের সমারোহ সমৃদ্ধ পলওয়েল ক্যাফেটেরিয়া।

ঠিকানা এবং যোগাযোগ 

অবস্থান–ডিসি বাংলো রোড, রাঙ্গামাটি সদর, রাঙ্গামাটি। ফোন নাম্বার – 01837-335595,  ওয়েবসাইট –https://www.polwelpark.com   ই-মেইল – info@polwelpark.com  ফেইসবুক –https://www.facebook.com/PolwelParkRmtOfficialPage/

পলওয়েল পার্ক যাওয়ার উপায়

পলওয়েল পার্ক যেতে হলে আপনাকে প্রথমেই আসতে হবে  রাঙামাটি শহরে। ঢাকা থেকে রাঙামাটি বিভিন্ন উপায়ে আসা যায়।

 

ঢাকা থেকে সরাসরি রাঙামাটি

সড়কপথে

রাজধানী ঢাকা সহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলো থেকে রাঙ্গামাটি সরাসরি গাড়ী চলে।প্রতিদিন ঢাকার ফকিরাপুল মোড় অথবা সায়দাবাদ থেকে রাঙ্গামাটিগামী অসংখ্য বাস পাওয়া যায়। সকল বাসই সকাল ৮.০০ হতে ৯.০০ টা এবং রাত ৮.৩০ হতে ১১.০০ এর মধ্যে ঢাকা ছাড়ে। নন এসি বাসের ভাড়া পড়বে ৮০০-৯০০। এসি বাসের ভাড়া পড়বে ১৫০০-২০০০। সময় লাগতে পারে  ৭-৮ ঘন্টার মত।

রেলপথে

অনেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম যেয়ে তারপর সেখান থেকে রাঙ্গামাটি যেতে চান।

ঢাকা  থেকে প্রথমে  ট্রেনে   চট্টগ্রাম এবং পরে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি বাসে  রাঙ্গামাটি যাওয়া যায়।

ঢাকার কমলাপুর এবং বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে সোনার বাংলা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চিটাগাং মেইল, তূর্ণা, নিশীথা ও চট্টগ্রাম মেইল আলাদা আলাদ সময় ছেড়ে যায়।ট্রেনের বিস্তারিত সময়সূচী এবং ভাড়া জানতে পারবেন www.railway.gov.bd সাইট থেকে।ট্রেনের বিস্তারিত সময়সূচী এবং ভাড়া জানতে পারবেন রেলওয়ের ওয়েব সাইট থেকে

 

চট্টগ্রাম  থেকে রাঙ্গামাটি

চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া যায় খুব সহজে। চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পর্যটন শহর রাঙামাটি।চট্টগ্রাম শহরের অক্সিজেন মোড় থেকে রাঙামাটি গামী বিভিন্ন পরিবহনের বাস পাওয়া যায়। এখান থেকে আধ ঘন্টার ব্যবধানে আপনি পাবেন পাহাড়ীকা ও লোকাল বাস সার্ভিস। পাহাড়ীকা বাসের ভাড়া ১৫০ টাকা এবং লোকাল বাসের ভাড়া ১০০ টাকা। পাহাড়ীকা বাসে সময় লাগে আড়াই ঘন্টা এবং লোকাল বাসে তিন থেকে সাড়ে তিন  ঘন্টা। সকাল ৭টা হতে রাত ৮টা পর্যন্ত পাওয়া যায় বাস। এছাড়া যারা আরামদায়ক ভ্রমন করতে চান, তাদের জন্য আছে বিলাস বহুল সার্ভিস এস. আলম, ইউনিক, হানিফ ও বিআরটিসি। এসব বাস সার্ভিসের ভাড়া ১৮০-২২০ টাকা। সময় লাগবে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা। এছাড়া নিজস্ব গাড়ী অথবা ভাড়া করা মাইক্রো, কার, ক্যাব নিয়েও আপনি যেতে পারবেন রাঙামাটি। ভাড়া পড়বে ২০০০-৪০০০ টাকা।

রাঙ্গামাটি  থেকে পলওয়েল পার্ক যাবার উপায়

রাঙ্গামাটি রিজার্ভ বাজার থেকে ডিসি বাংলো বা পলওয়েল পার্ক এর দূরত্ব ১ কিঃমিঃ। সিএনজি ভাড়া ৫০ টাকা। বনরূপা থেকে পার্কটিতে আসতে সিএনজি ভাড়া ১০০ টাকা, দূরত্ব প্রায় ৩ কিঃমিঃ।

কোথায় থাকবেন

পলওয়েল পার্কে থাকার ব্যবস্থা:  পলওয়েল পার্কটি ঘুরে দেখার পাশাপাশি এখানে রয়েছে থাকার জন্য বেশ কিছু কটেজ। একদম লেকের প্রান্ত ঘেঁষে রয়েছে বেশ কয়টি কটেজ এবং সুইমিংপুল। রাঙামাটির অন্যতম সুন্দর ভিউ রয়েছে এই কটেজ গুলোর। হানিমুন কটেজের ভাড়া নির্ধারন করা হয়েছে ৬০০০ টাকা, ফ্যামিলি কটেজের ভাড়া ৮০০০ টাকা এবং VIP কটেজের ভাড়া নির্ধারন করা হয়েছে ১০০০০ টাকা প্রতিরাত। পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত ইন্সপেক্টর থেকে তদুর্ধ কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের জন্যে কটেজে রয়েছে ৪০% ছাড়। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের জন্যে রয়েছে ২০% ছাড়া।। এখানে থাকতে চাইলে আগে থেকেই যোগাযোগ করে বুকিং দিয়ে রাখবেন।যোগাযোগের মোবাইল নম্বর 09613 500 900, 01837335595

রাঙ্গামাটিতে  থাকার ব্যবস্থা: : পলওয়েল পার্ক কটেজে না থাকতে চাইলে রাঙামাটি শহরে থাকতে পারেন। রাঙামাটিতে পর্যটকদের থাকার জন্য বেশ কিছু ভালমানের রয়েছে হোটেল-মোটেল ও  বিভিন্ন সরকারি বিশ্রামাগার  রয়েছে। কাতালতলি এলাকায় সুফিয়া ইন্টারন্যাশনাল, সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল, তবলছড়ির পর্যটন মোটেল, রিজার্ভ বাজারে মোটেল মতিমহল, গ্রীন ক্যাসেল, হোটেল প্রিন্স, লেকসিটি, কলেজ গেইটে মোটেল জজ, রাজবাড়িতে হোটেল ডিগনিটি অন্যতম, কোর্ট বিল্ডিং এলাকায় হোটেল শাপলা, ড্রিমল্যান্ড অন্যতম। ভালোমানের হোটেলের মধ্যে হোটেল সুফিয়া, নীডস হিল ভিউ, মোটেল জর্জ, হোটেল গ্রীন ক্যাসেল, শাইনিং হিল গেষ্ট হাউজ, টুকটুক ইকো ভিলেজ, হোটেল আনিকা অন্যতম। ভাড়া ৫০০টাকা হতে ২০০০টাকা পর্যন্ত। এছাড়া কমদামী হোটেলগুলোর মধ্যে আছে মধুমিতা, সৈকত, শাপলা, ডিগনিটি, সমতা, উল্লেখযোগ্য। এগুলো ভাড়া সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া পর্যটনের রয়েছে নিজস্ব মোটেল। ভাড়া ১২০০ থেকে ২৫০০ টাকা পর্যন্ত। রয়েছে ছোট ছোট কটেজ। কটেজগুলোর প্রতি রাতের ভাড়া ৩০০০-৫০০০ টাকা। সরকারি বিভিন্ন দফতরের রেষ্ট হাউস, গেষ্ট হাউস এবং বাংলোগুলো নির্ধারিত মূল্য পরিশোধ এবং অনুমতি সাপেক্ষে ভাড়া দেওয়া হয়।

কোথায় খাবেন

পলওয়েল পার্কে ক্যাফে ও রেস্টুরেন্ট ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া রাঙামাটিতে বিভিন্ন মানের খাবারের হোটেল ও রেস্টুরেন্ট পাবেন। সাধ্যের সাথে মিলিয়ে যেকোনো রেস্টুরেন্টে প্রতিবেলার খাবারের সাথে সাথে স্থানীয় বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবারও চেখে দেখতে পারেন।

রাঙামাটিতে যথেষ্ট পরিমাণ হোটেল আছে খাবার জন্য । ভাল মানের খাবার  হোটেল সমূহ:

বনরূপা এলাকা:  কুটুমবাড়ি,দারুচিনি, হোটেল মক্কা, মেজবান, ক্যাফে লিংক অন্যতম ।

কাঠালতলি এলাকা: হোটেল হিল জামান অন্যতম ।

আদিবাসী খাবার: শহরের রাজবাড়ি এলাকায় রয়েছে একাধিক হোটেল। যার মধ্যে টুগুন রেস্টুরেন্ট, পিবির ভাতঘর, বিজুফুল, স্টিফেন ভাতঘর, বনরূপা বাজারে যদন ক্যাফে, আইরিশ অন্যতম। 

পাহাড়ি ধাচের  খাবার খেতে চাইলে শহরে আছে : সাবারাং রেস্তোরা, হোটেল ক্যাবাং।

রাঙ্গামাটির আরো যত দর্শনীয় স্থান 

রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত অন্য যে সমস্ত দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখতে পারেন :_শুভলং ঝরনা, কাপ্তাই লেক, শেখ রাসেল এভিয়ারী অ্যান্ড ইকো পার্ক, উপজাতীয় জাদুঘর, ঝুম রেস্তোরাঁ, টুকটুক ইকো ভিলেজ, চিৎমরম গ্রাম ও টাওয়ার, যমচুক, রাইক্ষ্যং পুকুর, নির্বাণপুর বন ভাবনা কেন্দ্র, রাজবন বিহার, ঐতিহ্যবাহী চাকমা রাজবাড়ি, পেদা টিং টিং, উপজাতীয় টেক্সটাইল মার্কেট, নৌবাহিনীর পিকনিক স্পট, রাজস্থলী ঝুলন্ত সেতু, ফুরমোন পাহাড়, সাজেক ভ্যালি, আর্যপুর ধর্মোজ্জ্বল বনবিহার, ডলুছড়ি জেতবন বিহার, বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র, কাট্টলী বিল ও ন-কাবা ছড়া ঝরনা ইত্যাদি।

 পলওয়েল পার্ক ভ্রমণ টিপস

অফসিজন গেলে বা ছুটির দিন গুলো পরিহার করে ভ্রমণে গেলে খরচ কম হবে।

গাড়ি ঠিক করার জন্যে সরাসরি জীপ স্ট্যান্ডে কথা বলবেন। প্রয়োজনে দরদাম করে নিবেন। 

বান্দরবানের   পুরো পথ পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, ভ্রমণে সাবধান হোন।  চান্দের গাড়িতে ছাঁদে চড়বেন না।অযথা কোন রিক্স নিতে যাবেন না।

শৈল প্রপাত বা চিম্বুকে আদিবাসীদের তৈরি জিনিস পত্র কিনতে পারবেন কম দামে।

শৈল প্রপাত ঝর্ণায় নামার সময় সাবধান থাকুক, পাথুরে পথ অনেক পিচ্ছিল। 

আদীবাসিদের অসম্মান হয় এমন কিছু দয়া করে করবেন না।

যদি সম্ভব হয় নীলাচলে এক রাত থাকবেন, আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ভ্রমণের সময় অবশ্যই সাথে করে জাতীয় পরিচয়পত্র রাখবেন।

কম খরচে নীলগিরি ভ্রমণ করতে দলগত ভাবে ভ্রমণ করতে পারেন।

দৃষ্টি আকর্ষণ: : যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ তথা আমাদের দেশের সম্পদ। এসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, এবং অন্যদেরকেও এ বিষয়ে উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

  • Facebook
  • Twitter
  • YouTube
  • Pinterest
  • Instagram
bottom of page